Posts

রথ সম্পর্কিত তথ্য।।

Image
🌻রথ সম্পর্কিত তথ্য 🌻 রথ হল তিনটি। 🍁 জগন্নাথের রথের নাম নন্দীঘোষ বা কপিধ্বজ । এই রথের 16টি চাকা। রথের রঙ পীত। ষোল চাকা মানে দশ ইন্দ্রিয় আর ছয় রিপূ । যা থাকে ভগবানের নীচে। 🍀 জগন্নাথ প্রতিবছর নব রথে উঠে। নব মানে নতুন আবার নব মানে নববিধা ভক্তি। মানে ভক্তির রথে জগন্নাথ উঠে। ভক্তি দিয়ে গড়া রথ। 🍀 দেহের সাথে রথের অনেক মিল। ঠিক যেমন আমাদের দেহ ভক্তি দিয়ে গড়া হলে ভগবান আসবে। একবার নেমে গেলে পুরাতন রথে জগন্নাথ উঠে না। ঠিক একবার চলে গেলে এই পুরাতন দেহে আর ভগবান আসে না। 🍀 206 টি কাঠ দিয়ে জগন্নাথের রথ হয়। ঠিক আমাদের দেহেও 206 টি হাড়। পুরীতে রথ টানে ঘোড়া। দেহের ঘোড়া হল আমাদের ইন্দ্রিয়। 🍀 রথের ঘোড়া টানে দড়ি। দেহের এই দড়ি হল মন । পুরীর রথের সারথী হল দারুক। 🍀 দেহের সারথী হল বুদ্ধি । দেহ রথের রথী হল জগন্নাথ। সবাই যায় রথ দেখতে। কারণে ওতে রথী আছে প্রভু জগন্নাথ। একবার উল্টোরথের পর নেমে গেলে জগন্নাথ। সেই রথে আর উঠে না। রথের কাঠ ভেঙে জগন্নাথের রান্না কাজে লাগানো হয়। 🍀 আমাদের দেহ থেকেও জগন্নাথ নেমে গেলে আর কেউ এই দেহ রাখবে না। কোন মূল্য নেই। মৃত বলে পুড়ে ফেলবে। 🍁 🍁 বলভদ্রের রথের ...

ফরাদপুর শ্রী শ্রী সার্বজনীন কালী মন্দিরের ছাদ নির্মাণকাজ সমাপ্ত

Image
ফরাদপুর গ্রামের একমাত্র মন্দির শ্রী শ্রী শ্যামা মায়ের মন্দিরের ছাদের কাজ সমাপ্ত।কাজের শুরুতে শ্যামা মায়ের নিকট ভোগ, পূজা নিবেদন করা হয় এবং প্রার্থনা করা হয়,তারপর ঢালাইয়ের কাজ আরম্ভ হয় এতে উপস্হিত ছিলেন মন্দির নির্মাণ কমিটি ও মায়ের সকল ভক্তবৃন্দ। দুপুরবেলায় আয়োজন করা হয় সকলের জন্য মহাপ্রসাদ।

ফরাদপুর শ্রী শ্রী সার্বজনীন কালী মন্দির পরিদর্শন

Image
২নং বারৈয়াঢালা ইউনিয়ন এর চেয়ারম্যান জনাব রেহান উদ্দিন রেহান, ফরাদপুর শ্রী শ্রী সার্বজনীন কালী মন্দির এর পুন মন্দির নির্মাণ পরিদর্শন কালে।

ফরাদপুর শ্যামা সং‌ঘের নগর কীর্তন শুষ্ঠু ভা‌বে সম্পন্ন

Image
প্র‌তি বছর ন্যায় এবা‌রো ১লা বৈশাখ ১৪২৪ বাংলা, ফরাদপুর শ্যামা সংঘ কতৃক নগর কীর্ত‌নের অা‌য়োজন ক‌রে,উক্ত নগর কীর্তন ফরাদপুর গ্রাম প্রদ‌ক্ষিন শে‌ষে, ফরাদপুর শ্রী শ্র‌ী সার্বজনীন কালী ম‌ন্দির প্রাঙ্গ‌নে ১ মি‌নিট দা‌ড়ি‌য়ে থে‌কে মা‌য়ের নিকট সক‌লের জন্য শা‌ন্তি কামনা করা হয়। ()()জয় মা কালী)()
Image
দোলযাত্রা  একটি  হিন্দু   বৈষ্ণব  উৎসব। বহির্বঙ্গে পালিত  হোলি  উৎসবটির সঙ্গে দোলযাত্রা উৎসবটি সম্পর্কযুক্ত। এই উৎসবের অপর নাম  বসন্তোৎসব । ফাল্গুন  মাসের  পূর্ণিমা  তিথিতে দোলযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়। বৈষ্ণব বিশ্বাস অনুযায়ী, ফাল্গুনী পূর্ণিমা বা দোলপূর্ণিমার দিন  বৃন্দাবনে   শ্রীকৃষ্ণ  আবির বা গুলাল নিয়ে  রাধিকা  ও অন্যান্য  গোপীগণের  সহিত রং খেলায় মেতেছিলেন। সেই ঘটনা থেকেই দোল খেলার উৎপত্তি হয়। দোলযাত্রার দিন সকালে তাই রাধা ও কৃষ্ণের বিগ্রহ আবির ও গুলালে স্নাত করে দোলায় চড়িয়ে কীর্তনগান সহকারে শোভাযাত্রায় বের করা হয়। এরপর ভক্তেরা আবির ও গুলাল নিয়ে পরস্পর রং খেলেন। দোল উৎসবের অনুষঙ্গে ফাল্গুনী পূর্ণিমাকে দোলপূর্ণিমা বলা হয়। আবার এই পূর্ণিমা তিথিতেই চৈতন্য মহাপ্রভুর  জন্ম বলে একে গৌরপূর্ণিমা নামেও অভিহিত করা হয়। দোলযাত্রা উৎসবের একটি ধর্মনিরপেক্ষ দিকও রয়েছে। এই দিন সকাল থেকেই নারীপুরুষ নির্বিশেষে আবির, গুলাল ও বিভিন্ন প্রকার রং নিয়ে খেলায় মত্ত হয়।  শান্তিনিকেতনে  বিশেষ ...

বাণী অর্চনার শু‌ভেচ্ছা ও অ‌ভিনন্দন

Image
সরস্বতী পূজা হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের একটি অন্যতম প্রচলিত পূজা। সরস্বতী দেবীকে শিক্ষা, সংগীত ও শিল্পকলার দেবী ও আশীর্বাদাত্রী মনে করা হয়। বাংলা মাঘ মাসের ৫মী তিথিতে এই পূজা অনুষ্ঠিত হয়। শিক্ষা, সংগীত ও শিল্পকলায় সফলতার আশায় শিক্ষার্থীরা দেবীর পূজা করে থাকে। বাকদেবী, বিরাজ, সারদা, ব্রাহ্মী, শতরূপা, মহাশ্বেতা, পৃথুধর, বকেশ্বরী সহ আরো অনেক নামেই দেবী ভক্তের হৃদয়ে বিরাক করে। পুরাণ অন ুযায়ী দেবী সরস্বতী ব্রহ্মের মুখ থেকে উথ্থান। দেবীর সকল সৌন্দর্য্য ও দীপ্তির উৎস মূলত ব্রহ্মা। পঞ্চ মস্তকধারী দেবী ব্রহ্মা এক স্বকীয় নিদর্শন। পূজার জন্য দেবী সরস্বতীর মূর্তি শ্বেত বস্র পরিধান করে থাকে যা পবিত্রতার নিদর্শন। দেবীর আসন কে পুষ্পশোভামন্ডিত করে রাখা হয়। পরিবারের সকল সদস্য খুব ভোরে স্নান শেষে পরিস্কার বস্র পরিধান করে দেবীর সামনে অবস্থান করে থাকে। পুরোহিত পূজা শুরু করবার আগ পর্যন্ত দেবীর মুখমন্ডল ঢাকা থাকে। পূজার অর্ঘ্যর পাশাপাশি দেবীর পূজার অারেকটি প্রধান অংশ ছাত্রছাত্রীদের পাঠ্যপুস্তক। সরস্বতী পূজার একটি বিশেষ অর্য্য হল পলাশ ফুল। দেবীর অঞ্জলীর জন্য এটি একটি অত্যবশ্যকীয় উপাদান। পুষ্পাঞ্জলী মন্ত্র (৩...
Image
🔔     পবিত্র বেদ দান করা সম্পর্কে কি বলছে? . 🌹     সনাতন ধর্ম অনুযায়ী গরীব-দুঃখীদের দান করা একজন মানুষের তার ইহজীবনের পাঁচটি মহাঋণের মধ্যে একটি।পবিত্র বেদ সর্বদা ই দান করাকে উত্সাহিত করেছে।এমনকি ঋগ্বেদের দশম মন্ডলের ১১৭ নং সুক্তটি সম্পূর্ণই দানের মহিমা নিয়ে দৃষ্ট যার কারনে সুক্তটির নাম দানস্তুতি সুক্ত।আজ আমরা এদের মধ্যে কয়েকটি মন্ত্র নিয়ে আলোচনা করব- . 🍁.    শাত হস্ত সমাহার, সহস্র হস্ত সং কির। (অথর্ববেদ ৩.২৪.৫) . অনুবাদ-আয় করতে হাতটিকে শতটিতে বৃদ্ধি কর আর দান করতে তাকে সহস্রটিতে রুপান্তরিত কর! . 🍁.    "ধনীদের উচিত দুঃস্থদের দান করা, তাদের দুরদৃষ্টিসম্পন্ন হওয়া উচিত কেননা ধনসম্পদ হল রথের চাকার মত, এখন যা এখানে পরমূহুর্তেই তা অন্যখানে গতিশীল হয়।"(ঋগ্বেদ ১০.১১৭.৫) . 🍁.    মোঘমন্নং বিন্দতে অপ্রচেতাঃ সত্যং ব্রবীমি বধ ইত স তস্য। নার্যমণং পুষ্যতি নো সখায়ং কেবলাঘো ভবতি কেবলাদী।। (ঋগ্বেদ ১০.১১৭.৬) . অনুবাদ-যে ব্যক্তি দুঃস্থদের সাহায্য করেনা, অজ্ঞানী এবং অন্তঃদৃষ্টিহীন তার সকল উন্নতিই বৃথা, সকল সম্পত্তিই অনর্থক।যে অন্যদের সাহ...