Posts

শ্রী শ্রী শ্যামা কালী পূজা ২০১৮ইং

Image
শ্রী শ্রী শ্য‌ামা কালী পূজা উপল‌ক্ষ্যে ফরাদপুর শ্যামা সংঘ কতৃক অায়ো‌জিত এবা‌রের বি‌শেষ অাকর্ষন টি‌ভি ও বেতার শি‌ল্পী শিমুল শীল ও তার দল সংঙ্গীত পরি‌বেশন কর‌বেন, ফরাদপুর শ্রী শ্রী স‌ার্বজনীন কালী ম‌ন্দির প্রাঙ্গ‌নে। সকল সনাত‌নি ধর্মপ্রাণ ভক্তবৃন্দ এ‌তে অাম‌ন্ত্র‌িত ।

ফরাদপুর শ্রী শ্রী সার্বজনীন কালী মন্দিরের সামনের ফটকের কারুকাজ সম্পন্ন

Image

রথ সম্পর্কিত তথ্য।।

Image
🌻রথ সম্পর্কিত তথ্য 🌻 রথ হল তিনটি। 🍁 জগন্নাথের রথের নাম নন্দীঘোষ বা কপিধ্বজ । এই রথের 16টি চাকা। রথের রঙ পীত। ষোল চাকা মানে দশ ইন্দ্রিয় আর ছয় রিপূ । যা থাকে ভগবানের নীচে। 🍀 জগন্নাথ প্রতিবছর নব রথে উঠে। নব মানে নতুন আবার নব মানে নববিধা ভক্তি। মানে ভক্তির রথে জগন্নাথ উঠে। ভক্তি দিয়ে গড়া রথ। 🍀 দেহের সাথে রথের অনেক মিল। ঠিক যেমন আমাদের দেহ ভক্তি দিয়ে গড়া হলে ভগবান আসবে। একবার নেমে গেলে পুরাতন রথে জগন্নাথ উঠে না। ঠিক একবার চলে গেলে এই পুরাতন দেহে আর ভগবান আসে না। 🍀 206 টি কাঠ দিয়ে জগন্নাথের রথ হয়। ঠিক আমাদের দেহেও 206 টি হাড়। পুরীতে রথ টানে ঘোড়া। দেহের ঘোড়া হল আমাদের ইন্দ্রিয়। 🍀 রথের ঘোড়া টানে দড়ি। দেহের এই দড়ি হল মন । পুরীর রথের সারথী হল দারুক। 🍀 দেহের সারথী হল বুদ্ধি । দেহ রথের রথী হল জগন্নাথ। সবাই যায় রথ দেখতে। কারণে ওতে রথী আছে প্রভু জগন্নাথ। একবার উল্টোরথের পর নেমে গেলে জগন্নাথ। সেই রথে আর উঠে না। রথের কাঠ ভেঙে জগন্নাথের রান্না কাজে লাগানো হয়। 🍀 আমাদের দেহ থেকেও জগন্নাথ নেমে গেলে আর কেউ এই দেহ রাখবে না। কোন মূল্য নেই। মৃত বলে পুড়ে ফেলবে। 🍁 🍁 বলভদ্রের রথের ...

ফরাদপুর শ্রী শ্রী সার্বজনীন কালী মন্দিরের ছাদ নির্মাণকাজ সমাপ্ত

Image
ফরাদপুর গ্রামের একমাত্র মন্দির শ্রী শ্রী শ্যামা মায়ের মন্দিরের ছাদের কাজ সমাপ্ত।কাজের শুরুতে শ্যামা মায়ের নিকট ভোগ, পূজা নিবেদন করা হয় এবং প্রার্থনা করা হয়,তারপর ঢালাইয়ের কাজ আরম্ভ হয় এতে উপস্হিত ছিলেন মন্দির নির্মাণ কমিটি ও মায়ের সকল ভক্তবৃন্দ। দুপুরবেলায় আয়োজন করা হয় সকলের জন্য মহাপ্রসাদ।

ফরাদপুর শ্রী শ্রী সার্বজনীন কালী মন্দির পরিদর্শন

Image
২নং বারৈয়াঢালা ইউনিয়ন এর চেয়ারম্যান জনাব রেহান উদ্দিন রেহান, ফরাদপুর শ্রী শ্রী সার্বজনীন কালী মন্দির এর পুন মন্দির নির্মাণ পরিদর্শন কালে।

ফরাদপুর শ্যামা সং‌ঘের নগর কীর্তন শুষ্ঠু ভা‌বে সম্পন্ন

Image
প্র‌তি বছর ন্যায় এবা‌রো ১লা বৈশাখ ১৪২৪ বাংলা, ফরাদপুর শ্যামা সংঘ কতৃক নগর কীর্ত‌নের অা‌য়োজন ক‌রে,উক্ত নগর কীর্তন ফরাদপুর গ্রাম প্রদ‌ক্ষিন শে‌ষে, ফরাদপুর শ্রী শ্র‌ী সার্বজনীন কালী ম‌ন্দির প্রাঙ্গ‌নে ১ মি‌নিট দা‌ড়ি‌য়ে থে‌কে মা‌য়ের নিকট সক‌লের জন্য শা‌ন্তি কামনা করা হয়। ()()জয় মা কালী)()
Image
দোলযাত্রা  একটি  হিন্দু   বৈষ্ণব  উৎসব। বহির্বঙ্গে পালিত  হোলি  উৎসবটির সঙ্গে দোলযাত্রা উৎসবটি সম্পর্কযুক্ত। এই উৎসবের অপর নাম  বসন্তোৎসব । ফাল্গুন  মাসের  পূর্ণিমা  তিথিতে দোলযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়। বৈষ্ণব বিশ্বাস অনুযায়ী, ফাল্গুনী পূর্ণিমা বা দোলপূর্ণিমার দিন  বৃন্দাবনে   শ্রীকৃষ্ণ  আবির বা গুলাল নিয়ে  রাধিকা  ও অন্যান্য  গোপীগণের  সহিত রং খেলায় মেতেছিলেন। সেই ঘটনা থেকেই দোল খেলার উৎপত্তি হয়। দোলযাত্রার দিন সকালে তাই রাধা ও কৃষ্ণের বিগ্রহ আবির ও গুলালে স্নাত করে দোলায় চড়িয়ে কীর্তনগান সহকারে শোভাযাত্রায় বের করা হয়। এরপর ভক্তেরা আবির ও গুলাল নিয়ে পরস্পর রং খেলেন। দোল উৎসবের অনুষঙ্গে ফাল্গুনী পূর্ণিমাকে দোলপূর্ণিমা বলা হয়। আবার এই পূর্ণিমা তিথিতেই চৈতন্য মহাপ্রভুর  জন্ম বলে একে গৌরপূর্ণিমা নামেও অভিহিত করা হয়। দোলযাত্রা উৎসবের একটি ধর্মনিরপেক্ষ দিকও রয়েছে। এই দিন সকাল থেকেই নারীপুরুষ নির্বিশেষে আবির, গুলাল ও বিভিন্ন প্রকার রং নিয়ে খেলায় মত্ত হয়।  শান্তিনিকেতনে  বিশেষ ...