Posts

মহালয়া

Image
মহালয়া' কথাটির অর্থ কি? অথবা, পিতৃপক্ষের অবসান লগ্ন বা দেবীপক্ষের পূর্ববর্তী অমাবস্যাকে 'মহালয়া ' বলাহয় কেন? 'মহ ' শব্দটির দুইটি অর্থ আছে। 'মহ ' বলতে বোঝায় পূজা, আবার 'মহ' বলতে বোঝায় উৎসব। আবার মহালয় বলতে বোঝায় মহান + আলয় = মহালয়। তার সঙ্গে স্ত্রীকারান্ত 'আ। মহালয় হচ্ছে পূজা বা উৎসবের আলয় বা আশ্রয়। আলয় শব্দটির একটি অর্থ হচ্ছে আশ্রয়। আন্যদিকে 'মহালয়' বলতে, 'পিতৃলোককে ' বোঝায় -যোখানে বিদেহী পিতৃপুরুষ অবস্থান করছেন। তা যদি হয় তাহলে পিতৃলোককে স্মরণের অনুষ্ঠানই মহালয়া। কিন্তু তাহলে স্ত্রীলিঙ্গ হল কেন? তাহলে পিতৃপক্ষের অবসানে, অন্ধকার অমাবস্যার সীমানা ডিঙিয়ে আমরা যখন আলোকময় দেবীপক্ষের আগমনকে প্রত্যক্ষ করি - তখনই সেই মহা লগ্নটি আমাদের জীবনে 'মহালয়ার' বার্তা বহন করে আনে। এক্ষেত্রে স্বয়ং দেবীই হচ্ছে সেই মহান আশ্রয়, তাই উত্তরণের লগ্নটির নাম মহালয়া। পুরাণ অনুযায়ী, জীবিত ব্যক্তির পূর্বের তিন পুরুষ পর্যন্ত পিতৃলোকে বাস করেন। এই লোক স্বর্গ ও মর্ত্যের মাঝামাঝি স্থানে অবস্থিত। পিতৃলোকের শাসক মৃত্যুদেবতা যম। তিনিই ...

বিশ্বকর্মাপূজা

Image
বিশ্বকর্মা পূজা বা বিশ্বকর্মা জয়ন্তী হচ্ছে একটি হিন্দুধর্মীয় উৎসব। হিন্দু স্থাপত্য দেবতা বিশ্বকর্মার সন্তুষ্টি লাভের আশায় এই পূজা করা হয়। [৪] তাঁকে স্বয়ম্ভু এবং বিশ্বের স্রষ্টা হিসাবে বিবেচনা করা হয়। তিনি দেবতা কৃষ্ণের রাজধানী পবিত্র দ্বারকা শহরটি নির্মাণ করেছিলেন। এছাড়াও তিনি রামায়ণে বর্ণিত লঙ্কা নগরী, পাণ্ডবদের মায়া সভা, [৫] রামায়ণে উল্লিখিত ব্রহ্মার পুষ্পক রথ, [৬] দেবতাদের বিভিন্ন গমনাগমনের জন্য বিভিন্ন বাহন, দেবপুরী এবং বিষ্ণুর সুদর্শন চক্র, শিব এর ত্রিশূল, কুবের এর অস্ত্র, ইন্দ্রের বজ্র, কার্তিকের শক্তি সহ  দেবতাদের  জন্য বহু কল্পিত অস্ত্রের স্রষ্টা। বিশ্বকর্মার ভক্তরা বিশ্বাস করেন যে তিনি এই বিশ্বের সব কর্মের সম্পাদক। তিনি সব ধরনের শিল্পের প্রকাশক। শিল্পবিদ্যায় বিশ্বকর্মার রয়েছে একচ্ছত্র অধিকার। তিনি নিজেই চতুঃষষ্টিকলা, স্থাপত্যবেদ এবং উপবেদ এর প্রকাশক। কথিত আছে,  পুরীর  বিখ্যাত  জগন্নাথমূর্তিও  তিনিই নির্মাণ করেন। [৭] তাঁকে স্বর্গীয় ছুতারও বলা হয়। বিশ্বকর্মা  পূজা মূলত কারখানা শিল্পপ্রতিষ্ঠান ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে পালন করা হয়। প্রায়ই দোকানের মেঝেতে ...

শ্রী শ্রী শ্যামা কালী পূজা ২০১৮ইং

Image
শ্রী শ্রী শ্য‌ামা কালী পূজা উপল‌ক্ষ্যে ফরাদপুর শ্যামা সংঘ কতৃক অায়ো‌জিত এবা‌রের বি‌শেষ অাকর্ষন টি‌ভি ও বেতার শি‌ল্পী শিমুল শীল ও তার দল সংঙ্গীত পরি‌বেশন কর‌বেন, ফরাদপুর শ্রী শ্রী স‌ার্বজনীন কালী ম‌ন্দির প্রাঙ্গ‌নে। সকল সনাত‌নি ধর্মপ্রাণ ভক্তবৃন্দ এ‌তে অাম‌ন্ত্র‌িত ।

ফরাদপুর শ্রী শ্রী সার্বজনীন কালী মন্দিরের সামনের ফটকের কারুকাজ সম্পন্ন

Image

রথ সম্পর্কিত তথ্য।।

Image
🌻রথ সম্পর্কিত তথ্য 🌻 রথ হল তিনটি। 🍁 জগন্নাথের রথের নাম নন্দীঘোষ বা কপিধ্বজ । এই রথের 16টি চাকা। রথের রঙ পীত। ষোল চাকা মানে দশ ইন্দ্রিয় আর ছয় রিপূ । যা থাকে ভগবানের নীচে। 🍀 জগন্নাথ প্রতিবছর নব রথে উঠে। নব মানে নতুন আবার নব মানে নববিধা ভক্তি। মানে ভক্তির রথে জগন্নাথ উঠে। ভক্তি দিয়ে গড়া রথ। 🍀 দেহের সাথে রথের অনেক মিল। ঠিক যেমন আমাদের দেহ ভক্তি দিয়ে গড়া হলে ভগবান আসবে। একবার নেমে গেলে পুরাতন রথে জগন্নাথ উঠে না। ঠিক একবার চলে গেলে এই পুরাতন দেহে আর ভগবান আসে না। 🍀 206 টি কাঠ দিয়ে জগন্নাথের রথ হয়। ঠিক আমাদের দেহেও 206 টি হাড়। পুরীতে রথ টানে ঘোড়া। দেহের ঘোড়া হল আমাদের ইন্দ্রিয়। 🍀 রথের ঘোড়া টানে দড়ি। দেহের এই দড়ি হল মন । পুরীর রথের সারথী হল দারুক। 🍀 দেহের সারথী হল বুদ্ধি । দেহ রথের রথী হল জগন্নাথ। সবাই যায় রথ দেখতে। কারণে ওতে রথী আছে প্রভু জগন্নাথ। একবার উল্টোরথের পর নেমে গেলে জগন্নাথ। সেই রথে আর উঠে না। রথের কাঠ ভেঙে জগন্নাথের রান্না কাজে লাগানো হয়। 🍀 আমাদের দেহ থেকেও জগন্নাথ নেমে গেলে আর কেউ এই দেহ রাখবে না। কোন মূল্য নেই। মৃত বলে পুড়ে ফেলবে। 🍁 🍁 বলভদ্রের রথের ...

ফরাদপুর শ্রী শ্রী সার্বজনীন কালী মন্দিরের ছাদ নির্মাণকাজ সমাপ্ত

Image
ফরাদপুর গ্রামের একমাত্র মন্দির শ্রী শ্রী শ্যামা মায়ের মন্দিরের ছাদের কাজ সমাপ্ত।কাজের শুরুতে শ্যামা মায়ের নিকট ভোগ, পূজা নিবেদন করা হয় এবং প্রার্থনা করা হয়,তারপর ঢালাইয়ের কাজ আরম্ভ হয় এতে উপস্হিত ছিলেন মন্দির নির্মাণ কমিটি ও মায়ের সকল ভক্তবৃন্দ। দুপুরবেলায় আয়োজন করা হয় সকলের জন্য মহাপ্রসাদ।

ফরাদপুর শ্রী শ্রী সার্বজনীন কালী মন্দির পরিদর্শন

Image
২নং বারৈয়াঢালা ইউনিয়ন এর চেয়ারম্যান জনাব রেহান উদ্দিন রেহান, ফরাদপুর শ্রী শ্রী সার্বজনীন কালী মন্দির এর পুন মন্দির নির্মাণ পরিদর্শন কালে।